ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে স্বাধীনতা পদক/একুশে পদক প্রদান করা হোক।, Dhaka, Sexta, 15. Fevereiro 2019

নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও দেশের চিকিৎসা সেবায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আস্থার নাম। গভীর রাত, ভোর, দুপুর, হরতাল, বন্যা, বিত্তবান-বিত্তহীন, সজ্ঞান-অজ্ঞান কারো জন্য এই হাসপাতালের দরজা বন্ধ হয় না। গত ৬৭বছরে এই হাসপাতাল কত কোটি পরিচয়হীন আর ভারী পরিচয়যুক্ত মানুষের সুখ,দু:খের সাথী হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তার হিসেব কোথাও নেই। মাত্র দুই হাজারের মত কর্মকর্তা কর্মচারী দিয়ে বছরে এখনও ১০ লক্ষের বেশি মানুষকে সরাসরি সেবা দেয় এই হাসপাতালটি।

শুধু জনস্বাস্থ্যই নয়, ভাষা আন্দোলন, ষাটের দশকে ছাত্র ও জাতীয় রাজনীতিতে, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ছাত্র,চিকিৎসক,কর্মকর্তা, কর্মচারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশের প্রয়োজনে অস্ত্র হাতে যোদ্ধা, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎস, দেশের গঠনের অসংখ্য কারিগর তৈরির কারখানা এই ঢামেক।

সীমিত লোকবল, সীমিত সম্পদ এর পাশাপাশি নানাবিধ সমস্যার কারণে এই রাষ্ট্রায়ত্ত্ব হাসপাতালের সেবা নিয়ে প্রতিনিয়ত প্রশ্ন উঠে। তথাপি গরীব সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় আশ্রয়স্থল হাসপাতাল। রাষ্ট্রীয় এই হাসপাতাল সেবা নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে , কিন্তু সেবা প্রদানের নূন্যতম স্বীকৃতি নেই।

ভাষা আন্দোলন, ষাটের দশকে ছাত্র ও জাতীয় রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্বীকৃতি সরূপ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অবদানের জন্য এই হাসপাতালকে স্বাধীনতা পদক / একুশে পদক প্রদান করা হোক। এক ধরনের ইতিবাচক স্বীকৃতি তাদেরকে জনগণকে আন্তরিক সেবাদানে আরো উদ্ধুদ্ধ করবে।

আমরা বিশ্বাস করি জনগণের দায়িত্বশীল আচরণ ও ভালবাসায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম আরো গতিশীল হয়ে উঠবে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকে স্বাধীনতা পদক/একুশে পদক প্রদান করা হোক।

Encontrar mais eventos em torno de você
Obter recomendações de eventos com base em seu gosto Facebook. Obtê-lo agora!Mostre-me os eventos adequados para meAgora não