12th Self Defence Project For Girls By The Crack Platoon!, Mundo, Quarta, 27. Fevereiro 2019

আপনি একজন মেয়ে? নারী? বোন? মা কিংবা কারো স্ত্রী? প্রতিদিন নানা কাজে নিশ্চয়ই আপনাকে বের হতে হয় ঘরের বাহিরে? স্কুলে, কলেজে, টিউশনে, বাজারে, কিংবা অফিসে? পাবলিক বাসে নিশ্চয়ই চলাফেরা করতে হয়? তাহলে ক’টা প্রশ্ন করি আপনাকে। 

- ধরুন এমনি এক কর্মব্যস্ত দিনে স্কুল বা বাসা থেকে বাসায় ফেরার পথে পাবলিক বাসের ভিড়ে শরীরে অনুভব করলেন কারো অপ্রীতিকর হাত। কি করবেন তখন আপনি?
- ধরুন এমনি এক কর্মব্যস্ত দিনে টিউশানে যাওয়ার পথে শুনতে হলো বখাটেদের অশ্লীল নোংরা বাক্য। কি করবেন ঠিক তখন আপনি?
- আবার ধরুন, সন্ধ্যেবেলা অফিস থেকে ফিরছেন। অন্ধকার রাস্তায় জাপটে ধরলো আপনাকে কয়েকটা নরপিশাচ। একটু পরেই ধর্ষণের শিকার হতে যাচ্ছেন আপনি। বলুন তো ঠিক কি করবেন সেই মুহূর্তে?
- আবার হতে পারে আপনি বিবাহিত। সংসারে প্রতিনিয়ত মানসিক আর শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন স্বামীর হাতে। কিভাবে সমাধান করবেন বলে ঠিক করেছেন একটু বলবেন কি?

উপরের প্রতিটা প্রশ্ন নিজেকে করে দেখুন। বুকে হাত রেখে বলুন তো, আপনারা প্রত্যেকেই কোন না কোনভাবে এই ঘটনাগুলোর সম্মুখীন হচ্ছেন না প্রতিনিয়ত? প্রতিদিনের সংবাদপত্রের নিত্য নৈমিত্তিক সংবাদ ইভ টিজিং, রেইপ, মেন্টাল ফিজিক্যাল টর্চার, হ্যারেইসমেন্টের মত গতানুগতিক এই ঘটনাগুলো। পত্রিকাগুলো ছাপিয়ে আনন্দ পায়, আর আমরা পড়ে আনন্দ পাই। অথচ একবার ভাবুন তো, কাল সংবাদপত্রের ঐ ভিক্টিমের জায়গায় যদি আপনি থাকেন বা আপনার পরিবারের কেউ?

গত দেড়টা বছর আমরা মেয়েদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে গেছি “ফাইট ব্যাক, ফাইট ব্যাক” বলে। সবাই অবাক হয়ে বলত, মেয়েরা করবে ফাইট ব্যাক? কিভাবে?

চুপ করে থাকি আমরা… আর আমাদের মেয়েরা গিয়ে গিয়ে জবাব দিয়ে আসে তাদের একেকটা প্রশ্নের। কেউ মেলার ভিড়ে গায়ে হাত দেয়া বদমাইশকে ব্যাগ দিয়ে ইচ্ছামতো পিটিয়ে, কেউ হাইজ্যাকারের পিছনে দুইশ গজ দৌড়ে বিজয়ের ভঙ্গিতে নিজের ব্যাগ সেইভ করে নিয়ে এসে, কেউ পাবলিক গাড়িতে স্পর্শ করতে চাওয়ায় চড়-থাপ্পড় দিয়ে আবার কেউ বা গায়ে হাত তোলায় এক কাপুরুষকে বেঁধে ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এখন পর্যন্ত আমাদের প্রচুর মেয়ে তাদের সাথে ঘটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এসেছে, জবাব দিয়ে এসেছে, শায়েস্তা করে এসেছে।

প্রশ্ন করতে পারেন, মারামারি করে লাভ??
আমাদের উত্তর, “লাভ, সেই কাপুরুষেরা দ্বিতীয়বার আরেকজনের সাথে একই কাজ করতে অন্তত পাঁচ বার ভাববে। আপনি চুপ করে থেকে অপরাধীকে প্রশ্রয় দিবেন নাকি তাকে দ্বিতীয়বার একই অন্যায় করার আগে পাঁচ বার ভাবাবেন আপনি ঠিক করুন।“

আমাদের এই ওয়ার্কশপটি তাদের জন্য যারা ব্যক্তিগত জীবনে নিজেদের আত্মরক্ষার তাগিদ অনুভব করেন। শপথ করে বলতে পারি, কোন রুপকথার রাজকুমার সত্যিই আপনাকে বাঁচাতে আসবে না। আপনার নিজেকেই হতে হবে নিজের রক্ষাকবচ। আমাদের এই কর্মশালায় খুব ছোট ছোট কিছু সেল্ফ ডিফেন্স টেকনিক শিখে খুব সহজেই প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন আপনি যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে।

আমাদের উদ্দেশ্য মেয়েদের মধ্যে মনোবল তৈরী করা, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে আরও শক্তিশালী করে তোলা যাতে তারা নিজেদের দুর্বল না ভেবে যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা সাহসের সাথে মোকাবেলা করে আসতে পারে।

ঘোর অন্ধকার। নিজের অবস্থান সম্পর্কেও কোন ধারণা নেই। আলোর রেখা খুঁজতে চারপাশ হাঁতড়াচ্ছেন। একের পর এক অপঘাত। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে এবার।
পরিস্থিতিটা এখন প্রতি মুহূর্তের। আপনি কি মুখ বুজে সহ্য করবেন নাকি ঘুরে দাঁড়াবেন? ভেবে দেখুন যদি এখনো চুপ করে থাকেন, পরের আঘাতটা সইতে পারবে নাকি?

সো, দিস ইজ হাই টাইম। জাস্ট টেক আ স্টেপ টু ফাইট ব্যাক।

উপরে করা সব প্রশ্নে আপনাদের উত্তর যদি হয় মুখ বুজে সহ্য করা, চুপচাপ যা হচ্ছে তা হতে দেয়া, অন্যায় মেনে নেয়া তাহলে আপনাদের উদ্দেশ্যে বলা আমাদের সমস্ত কথার এখানেই সমাপ্তি। 

আর একটা মেয়েও যদি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অনুভব করেন যে, আপনি চুপ করে থাকবেন না, মুখ বুজে অন্যায় মেনে নিবেন না, প্রতিবাদ করবেন, রুখে দাঁড়াবেন, অপরাধীকে তার অপরাধের কঠিন জবাব দেবেন তবে হ্যাঁ…
আমরা ঐ একজনের পাশেই আছি।

আমাদের এই ওয়ার্কশপ শুধু ঐ একজনের জন্যই।

ওয়ার্শকপঃ
সেলফ ডিফেন্স প্রজেক্ট ফর গার্লস বাই দ্যা ক্র্যাক প্লাটুন

তারিখঃ শুক্র ও শনিবার।
সময়ঃ সকাল ৮ টা - ১০ টা
ভেন্যুঃ সিআরবি ওয়াকওয়ে এর গোলচত্বর এ (বক্ষব্যাধি হাসপাতাল এর পাশে)

An Open and free for girls program.

The Crack Platoon
Be More, Do More!

12th Self Defence Project For Girls By The Crack Platoon!

Encontrar mais eventos em torno de você
Obter recomendações de eventos com base em seu gosto Facebook. Obtê-lo agora!Mostre-me os eventos adequados para meAgora não